‘Relfexology’ সমস্ত রোগ ও ব্যথা নির্ণয় এবং নিরাময়ের চিকিৎসা
Reflexology শব্দটি অনেকের কাছে নতুন মনে হতে পারে কিন্তু আসলে একে আমরা অ্যকুপ্রেশার নামে সকলেই জানি। Acute বা Chronic উভয় ব্যথা নিরাময়ের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি সর্ব সম্মত। আপনার হাত ও পায়ের তলে কিছু নির্দিষ্ট পয়েন্টে সামান্য মালিশ যে কতো দুরারোগ্য সারিয়ে তুলতে পারে তা আপনি জেনে অবাক হয়ে যাবেন। যে রোগের কোন চিকিৎসা নেই, যে রোগের কোন ঔষধ হয় না তা এই সামান্য মালিশে সারিয়ে তুলতে পারা যায়। আমার কাছে হাজারো প্রমাণ পত্র আছে যা দেখিয়ে দিতে পারে এই চিকিৎসা সম্পূর্ণ নির্ভুল, নিরাপদ ও সহজ সাধ্য। এই চিকিৎসা খুব সহজেই শেখা যায়, এই নিয়ে বাজারে বহু বই, কোর্স কিনতে পাওয়া যায়।
আমাদের Website - https://www.acupressurexpert.com/ ফলো করতে পারে।
এই সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবেন। এই অধ্যায়ে আপনাদের কয়েকটি চার্ট ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
জানানো হচ্ছে যা আপনাকে একজন Pain Management Expert করে তুলতে পারে।
যে কোন চিকিৎসা পদ্ধতি শেখার আগে জানতে হয় সেই চিকিৎসা পদ্ধতির
গুরুত্ব। রিফ্লেক্সোলজি বা অ্যাকুপ্রেশার চিকিৎসায়
দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ এবং অন্তঃস্রাবী অনাল গ্রন্থিগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করে মানবদেহে
বিদ্যুৎশক্তির ক্ষমতাকে ফিরিয়ে এনে রোগ নিরাময় করা হয়। একমাত্র এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে একসাথে রোগ আরগ্য ও রোগ নিরাময়
করা সম্ভব।
এখানে যে রিফ্লেক্সোলজি বা অ্যাকুপ্রেশারের চার্ট দেওয়া হয়েছে
সেইগুলি হলো শরীরের সমস্ত অঙ্গগুলির প্রতিফল বা Reflect, এই জায়গাগুলিতে
ব্যথা করলে বুঝতে হবে সেই অঙ্গগুলিতে বিদ্যুতের ফিউজ কেটে গেছে, যার ফলে তার চারপাশে কার্বন ডাই অক্সাইড ও বিষাক্ত পদার্থ জমা হয়েছে এবং তার
জন্য তাতে রোগ দেখা দিয়েছে। এই বিন্দুগুলিতে
চাপ দিলে যে ব্যথা অনুভব হবে সেটি আঘাত লাগা ব্যথার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এতে রোগীর
চোখে একটা বিশেষ স্পন্দন দেখা দেয়। দিনে তিনবার করে এই জায়গাগুলিতে চাপ দিতে
থাকুন যতদিন পর্যন্ত এই বিন্দুগুলিতে ব্যথা না যায়, যখন দেখবেন এই বিন্দুতে আর ব্যথা নেই তখন বুঝবেন সেই অঙ্গটিতে
আর কোন সমস্যাও নেই, আপনি আসন্ন বিপদ থেকে মুক্তি পেয়েছেন । প্রথম দুই
দিন হয়ত বিন্দুগুলি থেকে কোনরূপ সাড়া পাওয়া যাবে না কারণ এতদিন তাদের ব্যবহার করা হয়নি
। কিন্তু তৃতীয় দিন থেকেই বিন্দুগুলির প্রতিক্রিয়া অনুভব করা
যাবে। চিকিৎসা চলাকালীন যদি রোগের উপসর্গগুলি আরও
বেড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে। কারণ, প্রকৃতি চায় দেহ থেকে রোগ দূর করতে,
তাই এই চিকিৎসায় প্রথমদিকে উপসর্গগুলি কখনও কখনও বেড়ে যায়।
এই ভাবে যদি হাত ও পায়ের তলে রোজ ১০ মিনিট করে চাপ দেওয়া যায়
তবে শরীরের সমস্ত অঙ্গগুলি ঠিক ভাবে কাজ করবে এবং আমরা সুস্থ দেহে বেঁচে থাকার সৌভাগ্য
অর্জন করব। এটি ঠিক একটি গাড়িকে পুরোপুরি সার্ভিসিং
করার মতো। যখন সকল অঙ্গগুলি ঠিকমতো সচল থাকবে
ও অনাল গ্রন্থিগুলি সঠিক কাজ করবে, আপনি আরও সুস্থ ও উদ্দিপনা
অনুভব করবেন এবং ভালো স্বাস্থ্য বজায় রাখতে পারবেন।
এই চিকিৎসায় তিন রকম লাভ হয় –
(১) হৃদযন্ত্রের সমস্যা, পক্ষাঘাত, এমন কি ক্যানসার সহ সব রকমের অসুখের প্রতিরোধ
গড়ে তুলা যায়।
(২) কোনও
রকম খরচ সাপেক্ষ পরীক্ষা ছাড়াই সঙ্গে সঙ্গে ও সঠিক রোগ নির্ণয় করা যায়, যার ফলাফল MRI পরীক্ষার সমান।
(৩) এইচআইভি,
এইডস সহ সমস্ত রকমের জটিল রোগ যার কোথাও কোনও চিকিৎসা নেই, সেই সবেরও চিকিৎসা করা যায় ও সম্পূর্ণ নিরাময়ও করা যায়।
তৎকাল বা Emergency অবস্থায়
এই চিকিৎসা যে কোন মেডিসিনের থেকে তাড়াতাড়ি কাজ করে, এটি প্রমানিত
এবং আমার অভিজ্ঞতাও বলতে পারেন। একটি বিন্দু বা পয়েন্টের উপর যদি তিন মিনিটের
বেশী ক্রমাগত চাপ দেওয়া হয় তাহলে সেই পেয়েন্টের সাথে যুক্ত অঙ্গটির অনুভুতি কিছুক্ষণের
জন্য হারিয়ে যায় – একে
Tagging বলা হয়। এই শব্দটি মনে রাখবেন, পরে পয়েন্ট আলোচনার সময় এই শব্দটি ব্যবহার করা হবে। এই টেকনিকটি হাত ও পায়ের অঙ্গুলে ব্যবহার করা হয়। এর জন্য একটি ক্লিপ বা রবার ব্যান্ড প্রয়োজন। শরীরের কোন অংশে যখন মারাত্মক ব্যথা হবে, তখন হাতে বা পায়ের একটি নির্দিষ্ট অঙ্গুলে একটি ক্লিপ বা বারার ব্যান্ডটি বেধে
দিতে হবে।
এটি তিন মিনিটের মতো বাধা থাকবে, যখন এর ডগাটি নীল হয়ে যাবে এখন সেটি সরিয়ে নিতে হবে। মাথা ব্যথা, পেটে ব্যথা, দাঁতে ব্যথা, বমি, জ্বর ইত্যাদি
ক্ষেত্রে এটি বেশ কার্যকারী একটি তৎকালীন চিকিৎসা পদ্ধতি।



